NAVIGATION MENU

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭০


ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় মৃত্যুল সংখ্যা বেড়ে ১৭০ জনে পৌঁছেছে। এরমধ্যে ৪১ জন শিশু। তাছাড়া আহতের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি। অপরদিকে আহত হয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষ। আর ইসরায়েলে দুই শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে।

শনিবার (১৫ মে) ফিলিস্তিনের ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলের বিমান হামলায় একটি মসজিদ ধসে গেছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি প্রধান শহরে বাসিন্দাদের সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

কয়েক দিন ধরে চলা বিমান হামলার মধ্যেই শুক্রবার (১৪ মে) গাজার বাইরে অবস্থান নিয়ে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি লক্ষ্য করে গোলা ছুড়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার ভোরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ১৬০ যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ট্যাংক বহরও অংশ নেয়। ৪০ মিনিটের এই অভিযানে ১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয় বলে গাজার চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানায়।

গাজার বিপরীত দিকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

শুক্রবার পশ্চিম তীরেও ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়। সেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একশ’র বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়।

পাল্টা প্রতিরোধ জারি রেখে রকেট ছুড়ে জবাব দেওয়া অব্যাহত রেখেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। অন্যদিকে লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়ার দাবি করেছে তেল-আবিব।

মিশরীয় মধ্যস্ততাকারীরা দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেলেও অব্যাহত রয়েছে সংঘাত।

বৃহস্পতিবার গাজার বাসিন্দারা ঈদুল ফিতর উদযাপন করলেও রক্ষা পায়নি ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে। ইসরায়েলের চালানো এই আগ্রাসনের প্রভাব নিজ দেশেও পড়তে শুরু করেছে।

দেশটির বিভিন্ন শহরে আরব ও ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয়েছে দাঙ্গা। দীর্ঘদিন ধরে চলা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের নতুন রূপ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইসরায়েলের এই অভ্যন্তরীণ দাঙ্গা।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে এই অঞ্চলে নতুন দূত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিশন, কাতার ও জাতিসংঘের সর্বশেষ উদ্যোগে উন্নতির কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

এমআইআর/এডিবি/